সোমবার, ডিসেম্বর ৮, ২০২৫
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম :

   জাতীয়
জীবনরক্ষাকারী ওষুধের দাম নির্ধারণ করবে সরকার
  Date : 24-11-2025
Share Button

অনলাইন ডেস্ক:

জীবনরক্ষাকারী ওষুধের মূল্য নির্ধারণে সরকারই চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ—এ কথা স্পষ্ট করে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। সোমবার (২৪ নভেম্বর) প্রকাশিত এ রায়ে আদালত বলেন, এসব গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের দাম নির্ধারণের ক্ষমতা কোনোভাবেই উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের হাতে থাকতে পারে না।

২০১৮ সালে সরকার জীবনরক্ষাকারী ১১৭টি ওষুধ বাদে অন্যান্য সব ওষুধের মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ন্যস্ত করে একটি সার্কুলার জারি করে। ওই সার্কুলারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থে রিট দায়ের করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। রিটের পর হাইকোর্ট রুল জারি করেছিলেন।

রিটকারী আইনজীবীরা আদালতে যুক্তি দেন, ওষুধ মানুষের বেঁচে থাকা এবং রোগ প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান উপাদান। তাই মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা সীমিত করে সরকারের দায়িত্ব কমিয়ে দেওয়া নাগরিকদের মৌলিক অধিকার—বিশেষ করে বেঁচে থাকার অধিকারের ওপর প্রভাব ফেলে।

শুনানি শেষে চলতি বছরের ২৫ আগস্ট বিচারপতি রেজাউল হাসান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সার্কুলারটি অবৈধ ঘোষণা করেন। রায়ে বলা হয়, জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে জীবনরক্ষাকারী ওষুধের দাম সরকারকেই নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে মূল্য নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী সরকার ১৯৯৩ সালে ৭৩৯টি ওষুধের দাম নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করে। পরে ১৯৯৪ সালের সংশোধিত নীতিতে কেবল ১১৭টি ওষুধের মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারের হাতে রেখে অন্যান্য ওষুধের দাম নির্ধারণের ক্ষমতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ন্যস্ত করা হয়।

জীবনরক্ষাকারী ওষুধের দাম নির্ধারণ করবে সরকার

 
ইত্তেফাক ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ১৫:৩৯
 
 
Loaded19.53%
 
 
Remaining Time -9:17

জীবনরক্ষাকারী ওষুধের মূল্য নির্ধারণে সরকারই চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ—এ কথা স্পষ্ট করে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। সোমবার (২৪ নভেম্বর) প্রকাশিত এ রায়ে আদালত বলেন, এসব গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের দাম নির্ধারণের ক্ষমতা কোনোভাবেই উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের হাতে থাকতে পারে না।

২০১৮ সালে সরকার জীবনরক্ষাকারী ১১৭টি ওষুধ বাদে অন্যান্য সব ওষুধের মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ন্যস্ত করে একটি সার্কুলার জারি করে। ওই সার্কুলারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থে রিট দায়ের করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। রিটের পর হাইকোর্ট রুল জারি করেছিলেন।

 

রিটকারী আইনজীবীরা আদালতে যুক্তি দেন, ওষুধ মানুষের বেঁচে থাকা এবং রোগ প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান উপাদান। তাই মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা সীমিত করে সরকারের দায়িত্ব কমিয়ে দেওয়া নাগরিকদের মৌলিক অধিকার—বিশেষ করে বেঁচে থাকার অধিকারের ওপর প্রভাব ফেলে।

শুনানি শেষে চলতি বছরের ২৫ আগস্ট বিচারপতি রেজাউল হাসান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সার্কুলারটি অবৈধ ঘোষণা করেন। রায়ে বলা হয়, জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে জীবনরক্ষাকারী ওষুধের দাম সরকারকেই নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে মূল্য নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

উল্লেখ্য, ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী সরকার ১৯৯৩ সালে ৭৩৯টি ওষুধের দাম নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করে। পরে ১৯৯৪ সালের সংশোধিত নীতিতে কেবল ১১৭টি ওষুধের মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারের হাতে রেখে অন্যান্য ওষুধের দাম নির্ধারণের ক্ষমতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ন্যস্ত করা হয়।



  
  সর্বশেষ
বাংলাদেশের আইন সাংবাদিকবান্ধব নয়: অ্যাটর্নি জেনারেল
১৩ নভেম্বর শেখ হাসিনাসহ তিনজনের রায়ের দিন ঘোষণা
প্রাণ-আরএফএল’র ভিশন এসি বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪, ব্যবহারকারীরা আতঙ্কে
অপরাধের অভয়ারণ্য গুলশান-বনানী-বারিধারা

প্রধান সম্পাদক: মতিউর রহমান , সম্পাদক: জাকির হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক এসএম আবুল হাসান। সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ থেকে প্রকাশিত এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২০১৯ ফকিরাপুল , ঢাকা ১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: জামান টাওয়ার (৪র্থ তলা) ৩৭/২ পুরাণা পল্টন, ঢাকা ১০০০
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ০১৭১১১৪৫৮৯৮, ০১৭২৭২০৮১৩৮। ই-মেইল: bortomandin@gmail.com, ওয়েবসাইট: bortomandin.com