শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম :

   পাঁচমিশালী
দেড় ডলারের হট ডগে একদিনের পারিবারিক ভালোবাসা
  Date : 12-09-2026
Share Button

গত ৯ সেপ্টেম্বর (বুধবার) আমাদের পরিবারের জন্য ছিল আনন্দে ভরা একটি সুন্দর দিন। সাগর ও নাফিসাহ্ আমাদের সবাইকে নিয়ে গেল আমেরিকার কস্টকো শপিং মলে। উদ্দেশ্য ছিল প্রয়োজনীয় কিছু কেনাকাটা করা। কিন্তু আপনজনদের সঙ্গে বের হলে কোনো দিনই কি শুধু কেনাকাটার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে? কস্টকোর বিশাল জায়গাজুড়ে ঘুরে ঘুরে প্রয়োজনীয় কাপড়চোপড় কেনা হলো। সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা জিনিসও একে একে কেনাকাটার তালিকায় যোগ হলো। কেউ নিজের প্রয়োজনের কথা বলছি, কেউ পছন্দের জিনিস দেখছি, কেউ আবার অন্যের জন্য কিছু পছন্দ করে দিচ্ছি। এই ছোট ছোট ব্যস্ততার মধ্যেই আসলে লুকিয়ে থাকে পারিবারিক আনন্দ।

একসঙ্গে বাজার করা, পাশাপাশি হাঁটা, প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে আলোচনা করা - এসব হয়তো বাইরে থেকে খুব সাধারণ দৃশ্য। কিন্তু পরিবারের মানুষগুলোর সঙ্গে কাটানো এমন সাধারণ মুহূর্তগুলোই পরে আমাদের কাছে অসাধারণ স্মৃতি হয়ে থাকে।

কেনাকাটা শেষে সাগর আমাদের জন্য খাবার কিনল। পিজা, চিকেন ফ্রাই, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, আইসক্রিমসহ আরও কয়েক রকমের মুখরোচক খাবার! সবাই যার যার পছন্দের খাবার নিয়ে আনন্দ করছিলাম।

দেড় ডলারের ঐতিহাসিক হট ডগ

কিন্তু আমি ইচ্ছে করেই কস্টকোর সেই বিখ্যাত দেড় ডলারের হটডগ নিলাম। সত্যি বলতে কী, সেই হটডগটি খাওয়ার সময় খাবারের চেয়েও আমার কাছে বেশি ভালো লাগছিল - কে আমাদের জন্য খাবারটি কিনে দিল এবং কার পাশে বসে সেটি খাচ্ছি।

কস্টকোর হট ডগের ইতিহাসও বেশ মজার। হট ডগ ও সফট ড্রিংকের এই কম্বোর দাম প্রায় চার দশক ধরে দেড় ডলার। বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে এর সূচনাবর্ষ ১৯৮৪ সাল থেকে এই দেড় ডলারের দাম কস্টকোর সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত হয়ে আছে।

এত বছর ধরে আমেরিকায় অসংখ্য জিনিসের দাম বেড়েছে। মূল্যস্ফীতির কারণে আজ ১৯৮৪ সালের দেড় ডলারের মূল্য অনেক বেশি। অথচ কস্টকোর এই জনপ্রিয় খাবারের মূল কম্বো মূল্য এখনো দেড় ডলার! ভাবা যায়?

একটি লম্বা বান-এর মধ্যে গরম করা অল-বিফ হট ডগ, সঙ্গে কয়েক ধরনের সফট ড্রিংক, আর নিজের পছন্দমতো বিভিন্ন সস। দামের তুলনায় খাবারটি যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি এর পেছনের ব্যবসায়িক গল্পটিও অসাধারণ।

দাম বাড়বে না, বদলাবে ব্যবসার পদ্ধতি

এই হট ডগের দাম নিয়ে কস্টকোর ইতিহাসে একটি বিখ্যাত গল্প আছে। কস্টকোর তৎকালীন প্রধান নির্বাহী ক্রেগ জেলিনেক একসময় প্রতিষ্ঠানের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধান নির্বাহী জিম সিনেগালের কাছে গিয়ে বলেছিলেন - মাত্র দেড় ডলারে হট ডগ ও পানীয় বিক্রি করে কোম্পানির পক্ষে টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে, দাম বাড়ানো দরকার।

সিনেগালের উত্তর ছিল আরও বিখ্যাত। তিনি রসিকতার ভঙ্গিতে বলেছিলেন, “If you raise the effing hot dog, I will kill you. Figure it out.” অর্থাৎ, “হট ডগের দাম বাড়ালে আমি তোমাকে মেরে ফেলব - উপায় বের করো।” জেলিনেক পরে এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে বর্ণনা করেন। অবশ্য কথাটি আক্ষরিক অর্থে নেওয়ার নয়। এটি ছিল কস্টকোর মূল্য-দর্শনের প্রতি সিনেগালের রসিক কিন্তু কঠোর অঙ্গীকারের প্রকাশ। আর জেলিনেক সত্যিই উপায় বের করেছিলেন।

দাম বাড়ানোর বদলে কস্টকো সরবরাহব্যবস্থা ও উৎপাদনের ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ নেয়।প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব হট ডগ উৎপাদনব্যবস্থা গড়ে তোলে এবং পরবর্তীতে নিজস্ব উৎপাদনকেন্দ্রের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ হট ডগ তৈরি করতে থাকে। ফলে মধ্যস্বত্বভোগী ও সরবরাহব্যবস্থার কিছু খরচ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।
অর্থাৎ, প্রশ্ন ছিল - দাম বাড়াব, নাকি ব্যবসার পদ্ধতি বদলাব? কস্টকো বেছে নিয়েছিল দ্বিতীয় পথটি।
এখানেই কস্টকোর ব্যবসায়িক দর্শনটি আরও মজার হয়ে ওঠে।

হট ডগ শুধু খাবার নয়, একটি ব্যবসায়িক বার্তা

একটি বিশাল সদস্যভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কীভাবে মাত্র দেড় ডলারে এমন একটি খাবার ধরে রাখতে পারে? এর উত্তর শুধু হট ডগের লাভ-ক্ষতির হিসাবে খুঁজলে পুরো বিষয়টি বোঝা যাবে না।

কস্টকোর ব্যবসার মূল ভিত্তি হলো সদস্যপদভিত্তিক মডেল। মানুষ বার্ষিক সদস্যপদ ফি দিয়ে কস্টকোতে কেনাকাটা করার সুযোগ পায়। এরপর কস্টকো চেষ্টা করে বিপুল পরিমাণ পণ্য কম দামে বিক্রি করার, যাতে সদস্যরা মনে করেন - তারা সত্যিই ভালো মূল্য পাচ্ছেন। কস্টকোর নিজস্ব ভাষায়ও তাদের ব্যবসার মূল লক্ষ্য হলো প্রচলিত খুচরা বা পাইকারি বিক্রয়মূল্যের তুলনায় কম দামে মানসম্মত পণ্য দেওয়া। এই প্রেক্ষাপটে দেড় ডলারের হট ডগ একটি শক্তিশালী মূল্য-প্রতীক।

একজন ক্রেতা কস্টকোতে ঢুকে যদি দেখেন - পিজা, চিকেন, হট ডগসহ খাবারগুলো অবিশ্বাস্য রকম সাশ্রয়ী; তাহলে তার মনে কস্টকো সম্পর্কে একটি ধারণা তৈরি হয়, “এখানে আমাকে ঠকানো হচ্ছে না; এখানে আমার টাকার মূল্য দেওয়া হচ্ছে।” এই বিশ্বাসই একটি ব্যবসার জন্য অনেক বড় সম্পদ।

তাই হট ডগকে শুধু “সস্তা খাবার” হিসেবে দেখলে কস্টকোর কৌশলটির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ পড়ে যায়। এটি ক্রেতাকে আকৃষ্ট করে, সদস্যদের সন্তুষ্ট রাখে এবং কস্টকোর “ভ্যালু” বা সাশ্রয়ের ব্র্যান্ড-ইমেজকে আরও শক্তিশালী করে। কস্টকো নিজেও বিভিন্ন সময়ে জানিয়েছে যে ব্যবসার অন্য অংশের ভালো মার্জিন তাদের কিছু জনপ্রিয় পণ্যের দাম কম রাখার সুযোগ দেয়।

সেদিন কস্টকোর ভেতরে ঘুরতে ঘুরতে হয়তো আমরা শুধু কাপড়, খাবার, সংসারের জিনিসপত্র কিংবা অন্যান্য পণ্যই দেখেছি। কিন্তু এর পেছনে যে বিশাল ব্যবসায়িক জগতটি রয়েছে, সেটি আরও বিস্তৃত।

হটডগের নেপথ্যে বিশাল সাম্রাজ্য

কস্টকোর মূল ব্যবসা হলো সদস্যপদভিত্তিক গুদামধর্মী বিক্রয়। সেখানে খাবার থেকে পোশাক, ইলেকট্রনিকস, আসবাব, গয়না, ওষুধ, চশমা, টায়ার - অসংখ্য ধরনের পণ্য পাওয়া যায়। পাশাপাশি রয়েছে নিজস্ব ব্র্যান্ড কার্কল্যান্ড সিগনেচার, যা কস্টকোর ব্যবসার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আবার কস্টকোর আছে গ্যাস স্টেশন, ফার্মেসি, অপটিক্যাল সেবা, টায়ার সেন্টার, অটোমোবাইল সংক্রান্ত সেবা, ভ্রমণসেবা এবং নানা ধরনের সদস্যসেবা।
বীমার ক্ষেত্রেও কস্টকোর নাম আছে - অটো, হোম, লাইফ, পেট ও ব্যবসায়িক স্বাস্থ্যবীমাসহ বিভিন্ন সেবা সদস্যদের জন্য দেওয়া হয়। তবে এগুলোকে কস্টকোর নিজস্ব ব্যাংক বা নিজস্ব বীমা কোম্পানি ভাবা ঠিক হবে না; অনেক সেবাই তৃতীয় পক্ষের অংশীদার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেওয়া হয়।

আবার আর্থিক সেবার ক্ষেত্রেও রয়েছে কস্টকো- সম্পর্কিত ক্রেডিট কার্ড, পেমেন্ট প্রসেসিং, চেক ও অন্যান্য সেবা। তবে এখানেও অংশীদার প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা রয়েছে।

খাদ্য সরবরাহের ক্ষেত্রেও কস্টকো শুধু বাইরের সরবরাহকারীদের ওপর নির্ভর করে বসে নেই। তাদের নিজস্ব মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণসহ বিভিন্ন উৎপাদন কার্যক্রম রয়েছে। বিশেষ করে কস্টকোর নিজস্বভাবে পরিচালিত সমন্বিত পোলট্রি স্থাপনা রয়েছে, যা কার্কল্যান্ড সিগনেচারের কিছু পোলট্রি পণ্যের চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হয়।

অর্থাৎ, কস্টকোর শক্তি শুধু “বড় দোকান” হওয়ায় নয়। তাদের শক্তি হলো - বিপুল ক্রয়ক্ষমতা, সদস্যভিত্তিক ব্যবসা, নিজস্ব ব্র্যান্ড, সরবরাহব্যবস্থার ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন সেবা ও ব্যবসাকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে একটি বড় ইকোসিস্টেম তৈরি করা। আর সেই বিশাল ব্যবসার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট একটি হট ডগ মাত্র দেড় ডলার! এসব ব্যবসায়িক হিসাব-নিকাশ নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয়। কিন্তু সেদিন আমাদের গল্পে ব্যবসার হিসাবটা খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো - একটি সুন্দর দিন। আপনজনদের সঙ্গে থাকার আনন্দ। একসঙ্গে বাজার করার আনন্দ। সাগর আব্বুর হাতে কিনে দেওয়া খাবার খাওয়ার আনন্দ। মামনি নাফিসাহর সঙ্গে সময় কাটানোর আনন্দ। আর নাতনি আনিরসহ সবাই মিলে বসে খাবার ভাগাভাগি করে খাওয়ার আনন্দ।

ভালোবাসার মূল্য অমূল্য

সেই বুধবার সাগর হয়তো খুব সাধারণভাবেই আমাদের খাবার কিনে দিয়েছে। কিন্তু সন্তানের চোখে, পরিবারের একজন সদস্যের চোখে - এমন যত্ন কখনোই সাধারণ নয়। সাগর আমাদের সবার জন্য একে একে খাবার কিনে দিচ্ছে। কেউ পিজা নিচ্ছে, কেউ ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, কেউ চিকেন ফ্রাই, কেউ আইসক্রিম। আর আমরা সবাই মিলে সেই খাবারগুলো উপভোগ করছি। এই দৃশ্যের মধ্যে কোনো আড়ম্বর ছিল না। ছিল শুধু আপনজনের প্রতি আপনজনের স্বাভাবিক ভালোবাসা।

মামনি নাফিসাহর আন্তরিকতাও ছিল দিনের আনন্দের একটি বড় অংশ। একসঙ্গে কেনাকাটা, একসঙ্গে ঘোরাঘুরি, একসঙ্গে খাবার খাওয়া - সবকিছুর মধ্যেই পরিবারের সেই পরিচিত উষ্ণতা ছিল।

জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যেগুলো তখন খুব সাধারণ মনে হয়। কিন্তু পরে যখন সেগুলো মনে পড়ে, তখন বুকের ভেতর কেমন যেন একটা মায়া তৈরি হয়। গতকালের দিনটিও হয়তো তেমনই একটি দিন।

হয়তো একদিন আমরা সেই কস্টকোর কেনাকাটার কথা ভুলে যাব। কোন কাপড়টি কিনেছিলাম, কোন জিনিসটির দাম কত ছিল - সবই হয়তো মনে থাকবে না।
কিন্তু মনে থাকবে - সাগর আব্বু ও মামনি নাফিসাহ্ আমাদের নিয়ে কস্টকোতে গিয়েছিল। আমরা একসঙ্গে কেনাকাটা করেছিলাম।

একসঙ্গে ঘুরেছিলাম। তারপর সবাই মিলে বসে কত রকমের খাবার খেয়েছিলাম। আর হয়তো বিশেষ করে মনে থাকবে সেই দেড় ডলারের হট ডগটি।

বুধবার কস্টকো থেকে আমরা অনেক কিছু কিনে বাড়ি ফিরেছি। কাপড়চোপড়, সংসারের প্রয়োজনীয় নানা জিনিস - সবই হয়তো আমাদের কাজে লাগবে। কিন্তু সেদিনের সবচেয়ে মূল্যবান জিনিসটি কোনো ব্যাগে ভরে আনা হয়নি।

সেটি হলো - একটি সুন্দর পারিবারিক স্মৃতি। সাগর ও নাফিসাহ্ আমাদের নিয়ে একটি দিন কাটালো।আমাদের প্রয়োজনের কথা ভাবলো, আমাদের পছন্দের খাবার কিনে দিলো, আমাদের আনন্দ আন্তরিকতা ও ভালোবাসা দেখলো - এমন ভালোবাসার মুহূর্তগুলোই তো জীবনের আসল সম্পদ।

তাই বুধবারের সেই হট ডগের কথা মনে পড়লে আমি শুধু দেড় ডলারের কথা ভাবব না। আমার মনে পড়বে -- সাগর আব্বুর স্নেহ, মামনি নাফিসাহর মায়া, পরিবারের হাসি-আনন্দ, একসঙ্গে কাটানো একটি সুন্দর দিন আর আপনজনদের সঙ্গে বসে খাবার ভাগাভাগি করে খাওয়ার সেই আনন্দ।

কস্টকোর হট ডগের দাম দেড় ডলার - চার দশকেরও বেশি সময় ধরে যে দামটি কস্টকো তার ব্যবসায়িক দর্শনের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে ধরে রেখেছে। কিন্তু গতকাল আমাদের কাছে সেই হট ডগের মূল্য ছিল আরও অনেক বেশি। হট ডগটির দাম ছিল মাত্র দেড় ডলার, কিন্তু তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ভালোবাসার মূল্য - অমূল্য।

লেখক একজন বিশিষ্ট কলামিস্ট, নীতি বিশ্লেষক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ও জাতীয় সাংবাদিক সোসাইটি এবং ওয়ার্ল্ড পীছ অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটির চেয়ারম্যান।



  
  সর্বশেষ
৬ লাখ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ
রাজবাড়ীতে নারী উদ্যোক্তাকে লাঞ্ছিত করায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩
শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান ঢাকা জেলা প্রশাসকের
নিরাপত্তা ও পর্যটনের ভবিষ্যৎ রক্ষায় কক্সবাজারকে মানব পাচার ও অপরাধমুক্ত করতে হবে

প্রধান সম্পাদক: মতিউর রহমান , সম্পাদক: জাকির হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক এসএম আবুল হাসান। সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ থেকে প্রকাশিত এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২০১৯ ফকিরাপুল , ঢাকা ১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: জামান টাওয়ার (৪র্থ তলা) ৩৭/২ পুরাণা পল্টন, ঢাকা ১০০০
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ০১৭১১১৪৫৮৯৮, ০১৭২৭২০৮১৩৮। ই-মেইল: bortomandin@gmail.com, ওয়েবসাইট: bortomandin.com