সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২৬
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম :

   পাঁচমিশালী
সখিনার জমি কান্ডে প্রশ্নবিদ্ধ ময়মনসিংহের ডিসি
  Date : 02-07-2026
Share Button

ময়মনসিংহ সংবাদদাতা:

নিজেদের করা ভুলে সখিনা খাতুনের জমি অধিগ্রহণে জটিলতায় আলোচনায় কেন্দ্রবিন্দু হতে যাচ্ছে ময়মনসিংহ জেলার ডিসি মোঃ সাইফুর রহমান। ভুল করে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করার পর একাধিকবার তা প্রমাণিত হলেও ভুক্তভোগী পরিবার মাসের পর মাস, বছরের পর বছর ডিসি’র দুয়ারে ঘুরে হয়রাণির শিকার হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।

কয়েক মাস আগে জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান সখিনা খাতুনের ওয়ারিশদের তদন্ত রিপোর্ট আসার পর জমির ধরন অনুযায়ী প্রাপ্য সঠিক হারে অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী সরেজমিন তদন্ত রিপোর্ট গত মার্চের ০২ তারিখে স্বাক্ষরিত জমির ধরন নাল বা নামা আসলেও অজ্ঞাত কারণে  প্রাপ্য অর্থ পেতে গিয়ে দায় ঠেলা ধাক্কার চক্করে পড়ে তারা। যা নিয়ে জেলা প্রশাসক প্রশ্নবোধক আলোচনার পর্যায়ে আসেন। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজর ও হস্তক্ষেপ পর্যন্ত যাবে কিনা তাও জেলা প্রশাসকের উপর নির্ভর করছে বলে ধারনা করছে অনেকে।

তথ্যমতে, এলএ কেস নম্বর ০৬/২০২২-২৩ ময়মনসিংহের গোবিন্দপুর মৌজার বিআরএস ৪২২৬ নং দাগের মৌজার সখিনা খাতুনের নাল বা নামা জমির ধরন ভুল করে ডোবা দেখিয়ে প্রাক্কলন দেওয়ার লিস্ট তৈরি হয়। রহস্যজনক কারণে নাল বা নামা জমির শ্রেণী পরিবর্তণ হয়ে ডোবা দেখানোর কারণে এদের অধিগ্রহণে প্রাপ্য অর্থ বহুগুণ কমে যায়। সখিনা খাতুনের পরিবার তা দেখে দিশেহারা ও হতাশ হয়ে বিষয়টি সংশোধন করে প্রাপ্য অর্থ পেতে প্রায় তিন বছর ধরে ডিসি অফিস, এলএ শাখাসহ বিভিন্ন দফতরে ঘুরছে।

ময়মনসিংহের নতুন জেলা প্রশাসক আসার পর বিষয়টি তাঁর কছে গেলে তদন্ত করে রিপোর্ট অনুযায়ী জমির অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। সে অনুযায়ী জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ঠ বিভাগকে নির্দেশনা দেবার পর সরেজমিন রিপোর্ট আসার তিন মাস অতিক্রান্ত হলেও এনিয়ে ডিসি নিশ্চুপ। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রেভিনিউ), এলএ শাখা অন্যান্য বিভাগে হয়রানিমূলক প্রস্তাবনায় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমানকে ঘিরে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমানের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে তাঁর নির্দেশনা মতে পাওয়া সখিনা খাতুনের জমির সরেজমিন রিপোর্টের কপি পাঠিয়ে জানতে চাইলে তিনি তাঁর কাছে ভুক্তভোগী পরিবারের প্রতিনিধি কাউকে আসতে বলেন। গত বুধবার ১লা জুলাই তারিখে তাঁর কাছে পরিবারের পক্ষ থেকে গেলেও তিনি এ নিয়ে কথা বলেননি ও দেখা করেননি। তবে এডিসি (রেভিনিউ) ভুল স্বীকার করে জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ডিসি সাহেব যা বলেন তাই আমরা করবো। ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে, এই ভুল তাদের নয়। কেনো তারা এর জন্য জেলা প্রশাসকের দফতরে বছরের পর বছর ঘুরবে। এই দায় কার। ভুক্তভোগীরা জানান, ডিসি সাহেব আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করলে আমরা প্রয়োজনে সংবাদ সম্মেলন করবো। প্রধানমন্ত্রীর কাছে মানবিক সহায়তার জন্য হস্তক্ষেপ কামনা করবো।



  
  সর্বশেষ
মন্ত্রিসভায় আসছে যেসব রদবদল
প্রযুক্তির অপব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও তথ্য নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়ে বাড়ছে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ
মালয়েশিয়ায় নতুন কর্মী পাঠানো শুরু হচ্ছে আগস্টের শেষ সপ্তাহে
`অভ্যুত্থানের ৭ আগস্ট জালিয়াতি` গোয়ালন্দ পৌরসভায় ১০ মাস পরের, রাস্তার কাজের টেন্ডার সই হলো পৌনে ৪ কোটি টাকা!

প্রধান সম্পাদক: মতিউর রহমান , সম্পাদক: জাকির হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক এসএম আবুল হাসান। সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ থেকে প্রকাশিত এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২০১৯ ফকিরাপুল , ঢাকা ১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: জামান টাওয়ার (৪র্থ তলা) ৩৭/২ পুরাণা পল্টন, ঢাকা ১০০০
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ০১৭১১১৪৫৮৯৮, ০১৭২৭২০৮১৩৮। ই-মেইল: bortomandin@gmail.com, ওয়েবসাইট: bortomandin.com