নিজস্ব প্রতিনিধি, ভাঙ্গা (ফরিদপুর):
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় এক অসহায় নারীর সাথে প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল ও বিয়ের পর কাবিন না করে যৌতুকের দাবিতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের তদন্তে। অভিযুক্ত ব্যক্তি উপজেলার ৬৪ নং দক্ষিণ ধর্মদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এ.কে.এম জাহিদুর রহমান। তিনি উপজেলার হুরুপদিয়া (নুরুল্লাগঞ্জ) গ্রামের আব্দুল সাত্তার মাতুব্বরের ছেলে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের এক দাপ্তরিক তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা স্ত্রীর সাথে প্রতারণা ও নির্যাতনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। গত ০২/০৭/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন স্বাক্ষরিত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর প্রেরিত এক স্মারকে (স্মারক নং: উরাশিপ/ভাঙ্গা/২০২৬/) এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
ঘটনার বিবরণ ও তদন্তের তথ্য:
তদন্ত প্রতিবেদন ও ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তারের লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, সুমাইয়া আক্তারকে প্রাইভেট পড়ানোর সূত্র ধরে শিক্ষক এ.কে.এম জাহিদুর রহমানের সাথে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হলে, জাহিদুর রহমান কুমতলব ফেঁদে সুমাইয়াকে ব্লাকমেইল করার চেষ্টা করেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২০২২ সালে জোরপূর্বক ও তাড়াহুড়ো করে বিয়ে করেন। বিয়েটি প্রথমে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে (কোর্ট এফিডেভিট) সম্পন্ন করা হয়।
বিয়ের পর তাদের একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। সন্তান জন্মের পর থেকে ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার ও তার পরিবার বারবার জাহিদুর রহমানকে আইনসম্মতভাবে বিয়ের কাবিন (নিকাহনামা) সম্পন্ন করার তাগিদ দিলে তিনি নানামুখী টালবাহানা শুরু করেন। একই সাথে তিনি ভুক্তভোগী নারীর কাছে যৌতুক দাবি করেন এবং তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। একপর্যায়ে জাহিদুর সুমাইয়াকে তার স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করেন এবং সন্তানসহ কোনো প্রকার খোঁজ-খবর বা ভরণপোষণ দেওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন।
শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রীর সাথে প্রতারণা ও নির্যাতনের অভিযোগ প্রমাণিত: বিচারের অপেক্ষায় ভুক্তভোগী নারী
নিজস্ব প্রতিনিধি, ভাঙ্গা (ফরিদপুর):
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় এক অসহায় নারীর সাথে প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল ও বিয়ের পর কাবিন না করে যৌতুকের দাবিতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের তদন্তে। অভিযুক্ত ব্যক্তি উপজেলার ৬৪ নং দক্ষিণ ধর্মদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এ.কে.এম জাহিদুর রহমান। তিনি উপজেলার হুরুপদিয়া (নুরুল্লাগঞ্জ) গ্রামের আব্দুল সাত্তার মাতুব্বরের ছেলে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের এক দাপ্তরিক তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা স্ত্রীর সাথে প্রতারণা ও নির্যাতনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। গত ০২/০৭/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন স্বাক্ষরিত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর প্রেরিত এক স্মারকে (স্মারক নং: উরাশিপ/ভাঙ্গা/২০২৬/) এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
ঘটনার বিবরণ ও তদন্তের তথ্য:
তদন্ত প্রতিবেদন ও ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তারের লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, সুমাইয়া আক্তারকে প্রাইভেট পড়ানোর সূত্র ধরে শিক্ষক এ.কে.এম জাহিদুর রহমানের সাথে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হলে, জাহিদুর রহমান কুমতলব ফেঁদে সুমাইয়াকে ব্লাকমেইল করার চেষ্টা করেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২০২২ সালে জোরপূর্বক ও তাড়াহুড়ো করে বিয়ে করেন। বিয়েটি প্রথমে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে (কোর্ট এফিডেভিট) সম্পন্ন করা হয়।
বিয়ের পর তাদের একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। সন্তান জন্মের পর থেকে ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার ও তার পরিবার বারবার জাহিদুর রহমানকে আইনসম্মতভাবে বিয়ের কাবিন (নিকাহনামা) সম্পন্ন করার তাগিদ দিলে তিনি নানামুখী টালবাহানা শুরু করেন। একই সাথে তিনি ভুক্তভোগী নারীর কাছে যৌতুক দাবি করেন এবং তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। একপর্যায়ে জাহিদুর সুমাইয়াকে তার স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করেন এবং সন্তানসহ কোনো প্রকার খোঁজ-খবর বা ভরণপোষণ দেওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন।
সাক্ষীদের বক্তব্য ও সত্যতা নিশ্চিতকরণ:
ভুক্তভোগী সুমাইয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ০৭/০৫/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে ভাঙ্গা উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জনাব সুজন কুমার সাহা সরজমিনে উক্ত বিদ্যালয়ে গিয়ে তদন্ত সম্পন্ন করেন। তদন্তে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকবৃন্দ এবং ভুক্তভোগীর মাতার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
সাক্ষীদের জবানবন্দি এবং কল রেকর্ড পর্যালোচনায় স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, অভিযুক্ত শিক্ষক এ.কে.এম জাহিদুর রহমান সুমাইয়া আক্তারকে বিয়ে করেছেন এবং তাদের একটি সন্তান রয়েছে। জাহিদুর কৌশলে কাবিন করার বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন এবং সুমাইয়া ও তার সন্তানের ওপর অমানবিক মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছেন।
সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সুজন কুমার সাহা তার তদন্ত পর্যালোচনায় উল্লেখ করেন—
১. ২০২২ সালে তাদের বিয়ে হওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত।
২. বিয়ের পর থেকে জাহিদুর রহমান যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টি, ব্লাকমেইল এবং স্ত্রীকে ডিভোর্সের ভয় দেখাতেন, যা প্রমাণিত।
৩. সন্তান হওয়ার পরও আইনগত কাবিন সম্পন্ন না করে জাহিদুর সুমাইয়াকে কৌশলে এড়িয়ে গেছেন।
৪. বর্তমানে স্ত্রী-সন্তানের ভরণপোষণ না দিয়ে তাদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানোর বিষয়টিও সত্য প্রমাণিত হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা তার চূড়ান্ত ফলাফলে সুমাইয়া আক্তারের দায়ের করা দুটি অভিযোগই (প্রতারণা ও নির্যাতন) শতভাগ সত্য বলে উল্লেখ করে
অসহায় নারীর আকুতি ও গঠনমূলক সমাজ ভাবনা:ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার বর্তমানে তার সন্তানকে নিয়ে অত্যন্ত অসহায় ও মানবেতর জীবন যাপন করছেন। একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের কাছ থেকে এমন নীতিবর্জিত ও প্রতারণামূলক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মনে করছেন সচেতন মহল। শিক্ষক সমাজের অন্যতম স্তম্ভ, যাদের হাত ধরে আগামীর ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে। সেখানে একজন শিক্ষকের এমন নৈতিক স্খলন ও অবলা নারীর জীবন ধ্বংস করার অপচেষ্টা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার ও তার সন্তানের ন্যায্য অধিকার এবং সামাজিক স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন। উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে তদন্ত প্রতিবেদনটি পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট পাঠানো হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এই অসহায় নারী ও তার নিষ্পাপ শিশুটি কত দ্রুত প্রশাসনের কাছ থেকে তাদের ন্যায্য অধিকার পায়।
সাক্ষীদের বক্তব্য ও সত্যতা নিশ্চিতকরণ:
ভুক্তভোগী সুমাইয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ০৭/০৫/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে ভাঙ্গা উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জনাব সুজন কুমার সাহা সরজমিনে উক্ত বিদ্যালয়ে গিয়ে তদন্ত সম্পন্ন করেন। তদন্তে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকবৃন্দ এবং ভুক্তভোগীর মাতার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
সাক্ষীদের জবানবন্দি এবং কল রেকর্ড পর্যালোচনায় স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, অভিযুক্ত শিক্ষক এ.কে.এম জাহিদুর রহমান সুমাইয়া আক্তারকে বিয়ে করেছেন এবং তাদের একটি সন্তান রয়েছে। জাহিদুর কৌশলে কাবিন করার বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন এবং সুমাইয়া ও তার সন্তানের ওপর অমানবিক মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছেন।
সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সুজন কুমার সাহা তার তদন্ত পর্যালোচনায় উল্লেখ করেন—
১. ২০২২ সালে তাদের বিয়ে হওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত।
২. বিয়ের পর থেকে জাহিদুর রহমান যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টি, ব্লাকমেইল এবং স্ত্রীকে ডিভোর্সের ভয় দেখাতেন, যা প্রমাণিত।
৩. সন্তান হওয়ার পরও আইনগত কাবিন সম্পন্ন না করে জাহিদুর সুমাইয়াকে কৌশলে এড়িয়ে গেছেন।
৪. বর্তমানে স্ত্রী-সন্তানের ভরণপোষণ না দিয়ে তাদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানোর বিষয়টিও সত্য প্রমাণিত হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা তার চূড়ান্ত ফলাফলে সুমাইয়া আক্তারের দায়ের করা দুটি অভিযোগই (প্রতারণা ও নির্যাতন) শতভাগ সত্য বলে উল্লেখ করেন।
অসহায় নারীর আকুতি ও গঠনমূলক সমাজ ভাবনা:
ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার বর্তমানে তার সন্তানকে নিয়ে অত্যন্ত অসহায় ও মানবেতর জীবন যাপন করছেন। একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের কাছ থেকে এমন নীতিবর্জিত ও প্রতারণামূলক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মনে করছেন সচেতন মহল। শিক্ষক সমাজের অন্যতম স্তম্ভ, যাদের হাত ধরে আগামীর ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে। সেখানে একজন শিক্ষকের এমন নৈতিক স্খলন ও অবলা নারীর জীবন ধ্বংস করার অপচেষ্টা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার ও তার সন্তানের ন্যায্য অধিকার এবং সামাজিক স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন। উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে তদন্ত প্রতিবেদনটি পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট পাঠানো হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এই অসহায় নারী ও তার নিষ্পাপ শিশুটি কত দ্রুত প্রশাসনের কাছ থেকে তাদের ন্যায্য অধিকার পায়।