সোমবার, জুলাই ২২, ২০২৪
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * সায়েন্সল্যাবে সংঘর্ষে আহত ১১ জন ঢাকা মেডিকেলে   * সাধারণ শিক্ষার্থীসহ ছাত্রলীগের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা: কাদের   * আন্দোলনকারীদের ধাওয়ায় পিছু হটলো পুলিশ-ছাত্রলীগ   * ঢাবি ছাত্রলীগে পদত্যাগের হিড়িক   * শনিরআখড়ায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট   * কোটা আন্দোলকারীদের ওপর হামলা বুধবার সারাদেশে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল   * সায়েন্সল্যাব মোড়ে কলেজ শিক্ষার্থীদের অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ   * বাড্ডায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ   * জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতাল না কসাই খানা !   * ‘এক সপ্তাহে ৭০০ টাকা দিছে মালিক, সংসার তো চলে না  

   অপরাধ-দূর্নীতি
ইমারত নির্মাণ ‘বিধি’ লঙ্ঘনের মহোৎসব ! রাজউকে’র সংশ্লিষ্টদের পোয়াবারো
  Date : 07-07-2024
Share Button

কামরুজ্জামান মিল্টন:  (- পর্ব-১)

এখন রাজধানীর উন্নয়ন, মানে-যেন অবিরত দালান-কোঠা তৈরি যথেচ্ছা প্রতিযোগিতার নেপথ্যে জনর্দুভোগ ও ভয়াবহ কোন দ‚র্যোগের হাতছানি। যদিও তা নিয়ন্ত্রনের দায়িত্বে রয়েছে-সরকারের রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) নামের একটি বৃহদাকারের প্রতিষ্ঠান। তবুও নির্বিকারে বেড়েই চলছে-ওই নিরবচ্ছিন্ন নানা জনর্দুভোগসহ ভয়াবহ দ‚র্যোগের আশঙ্কা। আর ওই যথেচ্ছা প্রতিযোগিতায় ভুক্তভোগী হয়ে কেউ না কেউ রাজউক’এ অভিযোগ করছে।

কিন্তু রাজউক’এ ইমারত নির্মান ‘বিধি’লঙ্ঘনের অভিযোগ করা মানইে হলো- রাজউক’র লোকজনের পোয়াবারো র্অথাৎ পকেট ভারি করা। প্রতিনিয়ত পড়ছে অগনিত অভিযোগ। তার কয়টাই বা আমলে নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। আর নিলেও সমস্যা সমাধান হচ্ছেনা। শুধু তাদের পকেট ভরছে। এসব কথা জানান একাধিক ভুক্তভোগী।

ভুক্তভোগীরা আরো জানায়,রাজধানী জুড়ইে রাজউক‘র ইমারত নির্মান ‘বিধি’র হেরফের যেন একটা মামুলি ঘটনায় পরিনত হয়েছে। যা নিয়ে অঞ্চল ভিত্তিক জনর্দুভোগ অথবা ব্যক্তিগত ভোগান্তির শিকাররা প্রতিনিয়ত সংশ্লিষ্ট র্কতৃপক্ষের দারস্থ হয়েও সুফল পাচ্ছে না। বরং বেশীর ক্ষেত্রেই তথ্য ফাঁসের দোষারোপের শিকার হচ্ছে এসব অভিযোগকারীরা। আর এ সুযোগে লঙ্ঘনকারীরা ও রাজউক‘র লোকজন অবৈধ স্বার্থ রক্ষার সর্ম্পকে জড়াচ্ছে।

আরো জানায়, রাজউক‘র অন্য সব অঞ্চলরে কথা পড়ে থাক। খোদ সদর র্কাযালয়ের জোন ও সাব জোনগুলোর আওতাধীন এলাকাগুলোতইে সংশিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃৃপক্ষের চোখের সামনইে লক্ষ্যনীয় মাত্রায় ওই ইমারত নির্মান ‘বিধি’ লঙ্ঘিত হচ্ছে। আর তাতে জনর্দুভোগ অথবা ব্যক্তিগত ভোগান্তি অসহনীয় ও সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় গিয়ে দাড়াচ্ছে। ফলে বিভিন্ন পর্যায়ের ভোগান্তির শিকার লোকজন নিরুপায় হয়ে একইভাবে রাজউক‘র দারস্থ হচ্ছে, রেওয়াজ ভিত্তিক লিখিত-অলিখিত অভিযোগ করছে। কিন্তু তাতে সুফলের মেলার বদলে ক্ষত্রে বিশেষে মিলছে-ওই সব অনিয়মকারী র্অথাৎ ‘ইমারত নির্মান বিধি’ লঙ্ঘনকারীদের হুমকি-ধমকিসহ মারমুখি নানা আচরন। আর এর নেপথ্য ইন্দোনদাতা হিসেবে কাজ করছে- রাজউক‘র ওই সব জোন সংশ্লিষ্ট কতিপয় ঘুষবাজ র্কমর্কতা-র্কমচারী।‘বিধি’ লঙ্ঘনকারী ও ভুক্তভোগী বা অভেিযাগকারীদের এ দন্দের সুযোগে তারা (কর্মকর্তা-কর্মচারীরা) পদক্ষেপের বদলে অবৈধ সুিবধা আদায় করছে, নিয়মিতের পথ খোলা রাখছে। সোজা কথায়-ওই সব ‘বিধি’ বর্হিভুতভাবে ভবন নির্মানকারী মালিক বা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সখ্যতা গড়ে,তাদের কাছ থেকে রাজউক‘র ওই সব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নগদ-বাকি কিছু খরচা হাতিয়ে তাদের শান্তনাসহ নিরাপদ থাকার পথ পর্যন্ত বাতলে দিচ্ছে।

আরো জানায়, রাজউক‘র খোদ সদররে অধীনস্থ জোন ও সাব-জোনগুলোতেই তো দীর্ঘদিন ধরে ‘বিধি’ লঙ্ঘন প্রবনতাটা যেন রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। সদরের আশ-পাশ ঘেষা জোন-ছয় সহ তার সাব-জোন মতিঝিল,পল্টন ও রামপুরা,খিলগাঁওসহ ব্যক্তি মালিকানা শুরু করে আবাসন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর ইমারত নির্মানে দিব্বি ওই ‘বিধি’ মানার বদলে রাজউক‘র সংশ্লিষ্ট র্কমচারী-র্কমর্কতাদের সাথে আতাত করছেন। তাদের খুশি-খোশাল রেখে নির্মান ‘বিধি’র পাশ কাটিয়ে তুমুল বেগে উঠে পড়ছে- অসংখ্য বহুতল ভবন নামের গগনচুম্বি দালানও। আর তাতে অন্য সব এলাকার চেয়ে তুলনাম‚লক এ গুরুত্বপ‚র্ন এলাকায় ‘জোন-৬’ বাড়ছে বিভিন্ন পর্যায়ের ভুক্তভোগীর সংখ্যাও। প্রতিনিয়ত এসব এলাকার অসংখ্য ভুক্তভোগী বা অভিযোগকারীদের নিছক শাস্তনার দৌড়ের অভিযোগ পড়ছে রাজউক‘র খাজার বাক্সরুপী অভিযোগ বাক্সে। আর তাতে শুধু খাদমেরুপী অথরাইজড অফিসার, ইন্সপেক্টরসহ তাদের কিছু সহযোগীদের কপাল খুলছে। তার মানে-ওই অভিযোগের ভিত্তিতেই তারা সময় মত নিরবে ঘটনাস্থলে পৌছাচ্ছে অথবা লঙ্ঘনকারীকে ডেকে রফাদফা করে পকেট মোটাতাজা করছে।

বিশেষেজ্ঞদের মতে, রাজধানীর র্সবত্রই বড় বড় দালান নির্মিত হচ্ছে,অলি-গলিতেও উঠছে সুউচ্চ ইমারত বা দালান। এর মাননে রাজধানীর আবাসনের উন্নয়ন হচ্ছে ঠকিই। তবে এর তো রয়েছে-একটি বিধান, রয়েছে-প্রয়োগকারী সংস্থাও । যেটাকে বলা হয়- রাজউক‘র “ইমারত নির্মান ‘বিধি’। সেটি পুরোপুরি মানা হচ্ছে কিনা, সেটাই গুরুত্বপ‚র্ন বিষয়। রাজধানীর সব দিকরেই নির্মিত ও নির্মানাধীন বড় বড় দালানগুলোর দেখলে মনে হয়-কোথায়,কিসের? “ইমারত নির্মান বিধি”। এমন কি খোদ রাজউক‘র সদররে আওতাধীন জোন,সাব-জোন গুলোতেও নক্সা অনুমোদনের পর ব্যক্তি মালিকানা হোক আর আবাসন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান হোক, সবাই যেন তার পুরো জায়গাটা জুড়েই দালান তুলতে ব্যস্ত। অন্য সব নিয়ম মানা থাক দুররে কথা,এক ফোঁটা জায়গাও যেন ছাড়তে নারাজ। হোক তাতে-অন্যের সমস্যা কিংবা জনদ‚র্ভোগ। আর এ ব্যাপারটা নতুনও নয়। দীর্ঘদিন ধরইে চলে আসছে। ইদানিং তা আরো বেকায়দায় অবস্থায় গিয়ে দাড়িয়েছে। ‘বিধি’ বহির্ভুতভাবে সর্বত্রই কোনায়-কানায়,চিপায়-চাাপায়ও গড়ে উঠছে-বহুতল ভবন। তাতে চলাচলরে পথ ঠিকমত আছে কিনা? জনর্দুভােগ বা অন্যরে কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা ? ক্রান্তিকালের কোন বিপত্তি হবে কিনা? এসব বিষয় এড়িয়ে শুধু দালান উঠোনোর মহাতৎপরতা। আর তা’ই ব্যক্তিগত সমস্যা থেকে জনদুর্ভোগ পর্যন্ত গড়াচ্ছে। কেউ সাহস করে ওই উন্নয়ন র্কতৃপক্ষ রাজউক‘এ অভিযোগ করেও খুব একটা সুফল পায়না। কারণ ওই র্কতৃপক্ষের দায়িত্বরতরা অনৈতিক সুযোগ নিয়ে নিয়ম ভঙ্গকারীদের বাঁচিয়ে রাখেন।

তাদের মতে, এভাবে রাজউক‘র বিশেষ করে-মাঠ পর্যায়ের লোকজনের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট হেয়ালিপনায় রাজধানী জুড়ে নির্মান ‘বিধি’ লঙ্ঘনের সমস্যা ধীরে ধীরে আরো জটিল থেকে জটিলতর অবস্থায় গিয়ে দাড়াচ্ছে। যা অদুর ভবিষ্যতে নিমতলী, ছুরিহাট্টা বা বেইলি রোড’র মত বড় কোন দ‚র্যোগপ‚র্ন পরিস্থিতির মত আরো বড় কোন সংকট তৈরী আশঙ্কার জন্ম দিচ্ছে। আর এর থেকে উত্তরনের পথ একটাই-জনগনকে আরো সচেতন হতে হবে। আর রাজউক‘কে শক্তিশালী ও হীনস্বার্থের গন্ডি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আইনি কাঠামোকে ঢেলে সাজাতে হবে।

নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে রাজউক’র জনকৈ র্কমর্কতা জানান, ইমারত নির্মান ‘বিধি’ লঙ্ঘনরে বিষয়টা বেশ আগের থেকেই অনেকটা গতানুগতকি ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। আর এর জন্য বেশী দায়ী রাজউক‘র মাঠ পর্যায়রে র্কমর্কতা-র্কমচারীরাসহ সংশ্লিস্ট প্রশাসনের কতপিয় অসাধ‚ র্কমর্কতা। এ কারণইে অন্যান্য জোন দুরে থাক,খোদ সদর র্কাযালয়ের জোন ও সাব জোনগুলোর আওতাধীন এলাকাগুলোতেই নির্মান ‘বিধি’ লঙ্ঘনের প্রবনতাটা দিন দিন বেশামাল হয়ে উঠছে। প্রতিনিয়তই তাতে জনদ‚র্ভোগসহ নানা ভোগান্তি তৈরী হচ্ছে। অসংখ্য বিভিন্ন শ্রেণীর ভুক্তভোগী রাজউক‘র দারস্থ হচ্ছে,আবেদন,নিবেদন করছে। কিন্তু তাতে খুব কমই সুফল মিলছে। কারণ-দায়িত্বরতরা অভিযোগ তদন্তের নামে অবধৈ স্বার্থ হাসিল করছে, নিজেদের পকটে ভারি করছে। আর অনিয়মকারী বা ‘বিধি’ লঙ্ঘনকারী থাকছে বহাল তবয়্যিতে।

রাজউক‘র জোন-৬’র পরচিালক আবু সালহে মোহম্মদ জাকারয়িার সাথে এব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন,অথোরাইজড অফিসারের সাথে যোগাযোগ করেন। আর জোন-৬’র অথোরাইজড অফিসারের সাথে যোগাযোগের চেস্টা করেও সম্ভব হয়নি।

সরজেমেিন জানা যায়, এ সব এলাকার বিভিন্ন লোকের সাথে কথা বলে মিলে-‘বিধি লঙ্ঘন’র গতানুগতিক চিত্র, মিলে-১৯০৯ সালের “ইমারত নির্মান বিধি”র সংশোধিত ও সংযোযিত ২০২২ সালের বিধান মানার ক্ষেত্রে নানা হেরফের। এসব এলাকার সদ্য নির্মিত বা নির্মানাধীন দালানগুলোর কোনটিত প্রদর্শিতভাবে ‘বিধি’র যৎসামান্য মানা হলেও অন্য জায়গায় চরমভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। যাতে ব্যক্তিগত বা জনদ‚র্ভোগ সব পথ খুলে রেখে নিজের অবৈধ স্বার্থ সংরক্ষিত হয়েছে।



  
  সর্বশেষ
ইমারত নির্মাণ ‘বিধি’ লঙ্ঘনের মহোৎসব ! রাজউকে’র সংশ্লিষ্টদের পোয়াবারো
পিতৃত্বকালীন ছুটি চেয়ে ছয় মাস বয়সী শিশু ও তার মায়ের রিট
মতিউর পরিবারকে আয় বহির্ভূত সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দিতে নোটিশ
ইসলামী ব্যাংকের রেমিট্যান্স উৎসব

প্রধান সম্পাদক: এনায়েত ফেরদৌস , অনলাইন সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত ) কামরুজ্জামান মিল্টন |
নির্বাহী সম্পাদক: এস এম আবুল হাসান
সম্পাদক জাকির হোসেন কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড ঢাকা ১২০৩ থেকে প্রকাশিত ও বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২১৯ ফকিরাপুল, মতিঝিল ঢাকা ১০০০ থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ২/২, ইডেন কমপ্লেক্স (৪র্থ তলা) সার্কুলার রোড, ঢাকা ১০০০। ফোন: ০১৭২৭২০৮১৩৮, ০১৪০২০৩৮১৮৭ , ০১৫৫৮০১১২৭৫, ই-মেইল:bortomandin@gmail.com