| |
| শাপলা ট্র্যাজেডিকে প্রথম ‘গণহত্যা’ বলেছিল বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী |
| |
| |
|
| |
| |
| তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন দাবি করেছেন যে, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনাকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিএনপি-ই প্রথম ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছিল। শুক্রবার (৮ মে, ২০২৬) রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে শাপলা স্মৃতি সংসদ আয়োজিত ‘শাপলার শহীদগাঁথা: স্মরণ ও মূল্যায়ন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তথ্যমন্ত্রীর বক্তব্য: বিএনপির ভূমিকা ও বিচার প্রক্রিয়া
-
প্রথম স্বীকৃতি: তথ্যমন্ত্রী বলেন, শাপলা ট্র্যাজেডির পর অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে বিএনপিই প্রথম তাদের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে একে ‘গণহত্যা’ হিসেবে চিহ্নিত করে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছিল।
-
তথ্য গোপনের অভিযোগ: তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের আমলে এই ঘটনার প্রকৃত সত্য আড়াল করার চেষ্টা চালানো হয়েছিল এবং উল্টো বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছিল।
-
সরকারের প্রতিশ্রুতি: বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার শাপলা চত্বরের ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি জানান।
নিহতের সংখ্যা ও অভিযানের ধরণ
একই অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা বক্তব্য দেন:
-
নতুন তথ্য: মিয়া গোলাম পরওয়ার দাবি করেন, তদন্তে এখন পর্যন্ত ৭২ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে এবং আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন।
-
অপারেশন ব্ল্যাকআউট: তিনি উল্লেখ করেন, ৫ মে দিবাগত রাতে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে ব্যাপক শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছিল, যা ছিল ফ্যাসিবাদের এক নির্মম উদাহরণ।
-
ঐতিহাসিক যোগসূত্র: তিনি মনে করেন, ২০১৩ সালের ৫ মে’র প্রতিরোধ এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান একই রাজনৈতিক চেতনার ধারাবাহিকতা, যা মূলত কর্তৃত্ববাদবিরোধী আন্দোলনেরই প্রতিফলন।
সারসংক্ষেপ
বক্তারা ঐক্যবদ্ধভাবে দাবি করেন যে, শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচার কেবল একটি দলের জন্য নয়, বরং দেশের মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে অপরিহার্য।
|
| |
|
|
|
| |
|
|
প্রধান সম্পাদক: মতিউর রহমান
, সম্পাদক: জাকির হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক এসএম আবুল হাসান। সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ থেকে প্রকাশিত এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২০১৯ ফকিরাপুল , ঢাকা ১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: জামান টাওয়ার (৪র্থ তলা) ৩৭/২ পুরাণা পল্টন, ঢাকা ১০০০
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ০১৭১১১৪৫৮৯৮, ০১৭২৭২০৮১৩৮। ই-মেইল: bortomandin@gmail.com, ওয়েবসাইট: bortomandin.com
|
|
| |
|