| |
| মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না, ধারণ করি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী |
| |
| |
|
| |
| |
| জাতীয় সংসদে মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের লক্ষ্যে এক বিশেষ প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। বুধবার (২৯ এপ্রিল, ২০২৬) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সংসদে অবস্থানরত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ পদবি ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।
সংসদ অধিবেশনে এই আলোচনার মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রস্তাব ও বক্তব্য
-
চেতনা ধারণ: শামা ওবায়েদ বলেন, "সংসদে আমরা যারা আছি, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না, বরং হৃদয়ে ধারণ করি।" তিনি উল্লেখ করেন যে, সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলেও অনেক মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন।
-
সম্মান প্রদর্শন: তিনি প্রস্তাব করেন যে, সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে তাঁর নামের আগে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ কথাটি ব্যবহার করা উচিত। এতে নতুন প্রজন্ম তাঁদের ত্যাগের কথা জানতে পারবে এবং সংসদের বাইরেও এই সংস্কৃতির চর্চা বাড়বে।
স্পিকারের ব্যাখ্যা ও অবস্থান
শামা ওবায়েদের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা প্রদান করেন: ১. মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা: স্পিকার জানান, সংসদের অনুমোদনক্রমে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমান সংজ্ঞা অনুযায়ী, কেবল যারা অস্ত্র হাতে সম্মুখ সমরে যুদ্ধ করেছেন তাঁরাই ‘মুক্তিযোদ্ধা’। বাকিরা ‘মুক্তিযোদ্ধা সহায়ক’ হিসেবে গণ্য হবেন। ২. পরিচয় উল্লেখ: স্পিকার বলেন, সংসদে সাধারণত আসনভিত্তিক পরিচয় দিয়েই আলোচনা হয়। তবে যদি নিশ্চিত হওয়া যায় যে কোনো সদস্য প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞার মধ্যে পড়েন, তবে তাঁকে সেভাবে উল্লেখ করার চেষ্টা করা হবে।
প্রেক্ষাপট: ‘বীর’ পদবি ব্যবহারের নিয়ম
-
২০২০ সাল: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সব ক্ষেত্রে নামের আগে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ ব্যবহারের বিধান করা হয়।
-
২০২৪ সাল: তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম (বীর প্রতীক) নামের আগে ‘বীর’ শব্দ ব্যবহারের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা বা বাতিলের প্রস্তাব করেছিলেন। তবে বর্তমান সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এই প্রস্তাব নতুন করে বিষয়টি আলোচনায় নিয়ে এল
|
| |
|
|
|
| |
|
|
প্রধান সম্পাদক: মতিউর রহমান
, সম্পাদক: জাকির হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক এসএম আবুল হাসান। সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ থেকে প্রকাশিত এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২০১৯ ফকিরাপুল , ঢাকা ১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: জামান টাওয়ার (৪র্থ তলা) ৩৭/২ পুরাণা পল্টন, ঢাকা ১০০০
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ০১৭১১১৪৫৮৯৮, ০১৭২৭২০৮১৩৮। ই-মেইল: bortomandin@gmail.com, ওয়েবসাইট: bortomandin.com
|
|
| |
|