২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলছে না বাংলাদেশ দল। ভারতে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকায় বিসিবি লিটন দাসদের বিশ্বকাপ খেলতে পাঠাচ্ছে না এবার। তবে এই সময়টা বসেও থাকছেন না তারা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাদের জন্য টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে। তিন দলকে নিয়ে আয়োজিত এই টুনামেন্টের নামকরণ করা হয়েছে ‘অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপ ২০২৬’। এতে ধূমকেতু একাদশকে নেতৃত্ব দেবেন জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস, দুর্বার একাদশের দায়িত্বে নাজমুল হোসেন শান্ত এবং দুরন্ত একাদশের অধিনায়ক করা হয়েছে আকবর আলীকে। কোচিং প্যানেলও ঘোষণা করেছে বিসিবি। ধূমকেতু একাদশের প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। সহকারী কোচ করা হয়েছে মোহাম্মদ আশরাফুলকে। দুর্বার একাদশের প্রধান কোচ মিজানুর রহমান বাবুল, সহকারী কোচ তুষার ইমরান এবং দুরন্ত একাদশের প্রধান কোচ হান্নান সরকার, সহকারী কোচ রাজিন সালেহ। বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে তিন দলের এই টুর্নামেন্ট চলবে আগামী ৫, ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৯ ফেব্রুয়ারি।
অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপ উপভোগ করতে হলে টিকিট কেটে মাঠে প্রবেশ করতে হবে দর্শকদের। সর্বনিম্ন ইস্টার্ন গ্যালারিতে ১০০ টাকায় দেখা যাবে ম্যাচ। এ ছাড়া নর্দার্ন ও সাউদার্ন স্ট্যান্ড ২০০, ক্লাব হাউস ৫০০ এবং গ্রান্ড স্ট্যান্ডের টিকিটের দাম ধরা হয়েছে ১ হাজার টাকা। বিসিবির আশা দর্শকরা মাঠে এসে ম্যাচ উপভোগ করবেন। তাদের জন্য ম্যাচ শুরুর আগে বিকাল চারটায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টায়।
কিছুদিন আগেই বিপিএল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট শেষে আপাতত ক্রিকেটারদের কোনো ব্যস্ততা ছিল না। ভারত ও শ্রীলংকায় আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে না যাওয়ার কারণে লিটন দাস, তানজিদ তামিম, মোস্তাফিজুর রহমানরা নিজেদের মতো করে সময় পার করছেন। তবে তারা সবাই খেলার মধ্যে থাকতে চেয়েছিলেন। বিপিএল শেষে নাজমুল হোসেন শান্ত বলেছিলেন, ‘আমরা যদি বিশ্বকাপে না যাই, ঢাকা লিগের অনেক গুরুত্ব থাকবে। কারণ খেলোয়াড়দের এত লম্বা সময় বসে থাকাটাও কঠিন। যদি বিশ্বকাপে না যাওয়া হয়, বোর্ডের কাছে অনুরোধ থাকবে, আমাদের জন্য যেন ভালো বা সুন্দর একটা টুর্নামেন্ট আয়োজন করে। যাতে আমরা খেলোয়াড়রা খেলার সুযোগ পাই।’ টুর্নামেন্টে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক ও পুরস্কার মিলিয়ে মোট অর্থমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এতে বিশ্বকাপ দলে থাকা ক্রিকেটার ছাড়াও জাতীয় দল ও এর আশপাশে থাকা সব ক্রিকেটারকে রাখা হবে।