যৌন অপরাধী এপস্টেইন এর সঙ্গে সম্পর্কিত লাখ লাখ নতুন ফাইল প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। এর মাধ্যমে দেশটির সরকারের দিক থেকে এ বিষয়ে সবচেয়ে বড় সংখ্যায় নথি প্রকাশ করা হলো।
এপস্টেইন সম্পর্কিত প্রায় ৩০ লাখ পাতা, ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও শুক্রবার প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশ করা নথিপত্রগুলোতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম এসেছে শত শত বার। এ ছাড়া এসব নথিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামও এসেছে।
এনিয়ে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে ব্যাপক আলোচনা, সমালোচনা ও জল্পনা শুরু হয়েছে।
শনিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক ভিডিও বিবৃতিতে বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির নাম উল্লেখ থাকার দাবি পুরোপুরি ‘ভিত্তিহীন ও নিন্দনীয়’। তিনি দাবি করেছেন, এর বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। এগুলো সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা উচিত।
তবে ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস এপস্টেইনের নথিতে মোদির নাম থাকাকে ‘জাতীয় লজ্জা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। দলটি এই ঘটনায় আরও ব্যাখ্যা চেয়েছে।
দেশটির রাজ্যসভায় কংগ্রেসের সদস্য জয়রাম রমেশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা সর্বশেষ নথিগুলোয় মোদির নাম একাধিকবার এসেছে। এনিয়ে সরকারের মুখপাত্রকে প্রতিক্রিয়া জানাতে হয়েছে। এরপরও অনেক প্রশ্ন এখনো রয়েছে।
এ ছাড়া এই ঘটনায় সরাসরি মোদির কাছ থেকে ব্যাখ্যা চেয়েছেন কংগ্রেস নেতা পবন খেরা। তিনি এক্সে লেখেন, বিষয়টি আমাদের জন্য “জাতীয় লজ্জা”।