মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য। টেকসই উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী গবেষণার মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় গ্যালারিতে ‘লাইফ সাইন্স, হেলথ অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি (লাইফটেক-২০২৬)’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
লাইফ সায়েন্স, হেলথ ও বায়োটেকনোলজি সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক গবেষণা ও উদ্ভাবনী ধারাগুলোকে একত্রিত করা ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের উন্নয়ন সাধন করার লক্ষ্যে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। দুই দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
সম্মেলনে জীববিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ক গবেষণাপত্র উপস্থাপন, পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং বৈজ্ঞানিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার মান উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানের করতে এধরনের কনফারেন্স ও সেমিনারের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ হলো মাছে ভাতে বাঙালির দেশ। এই দেশ মাছ উৎপাদন ও রপ্তানিতে অনেক এগিয়ে। মাছ শুধু প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারই নয় মাছে রয়েছে ত্বকের জন্য বিশেষ উপাদান যা আমাদের ত্বককে ভালো রাখে। দক্ষিণাঞ্চলকে বলা হয় মাছের অভয়ারণ্য। বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষে এই অঞ্চলের চাষিরা তাদের ধারাবাহিক সফলতা বজায় রেখে চলেছে। এই ধারাকে আরও বেগবান করতে ইতোমধ্যে অনেক কার্যকরী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক গবেষণা এই ধারায় আরও নতুন মাত্রা যোগ করবে।
সম্মেলনে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, কনফারেন্সের সম্মানিত অতিথি ও এশিয়ান ফেডারেশন অব বায়োটেকনোলজির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এম মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল আহসান, যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন।