বিশেষ প্রতিনিধি:
পরিবেশের সুষম ভারসাম্য রক্ষাসহ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অবিচ্ছেদ্য অংশ বন। বাংলাদেশে বন উজাড়ের হার উদ্বেগজনক। গ্লোবাল ফরেস্ট ওয়াচের তথ্যমতে, ২০০১ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশে মোট ৪ লাখ ৩২ হাজার ২৫০ একর এলাকার বৃক্ষ আচ্ছাদন হ্রাস পেয়েছে, যা মোট বৃক্ষ আচ্ছাদিত এলাকার প্রায় নয় শতাংশ। উদ্বেগজনকভাবে বন হ্রাস পাওয়ার পেছনে বন-কেন্দ্রিক অনিয়ম ও দুর্নীতির ভূমিকাই প্রধান। বন ও বনজ-সম্পদের প্রধান নিয়ন্ত্রক ও রক্ষক হিসেবে বন অধিদপ্তরের ভূমিকা ও কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ।
বন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ, নিয়োগ-বদলি-পদায়ন এবং পদোন্নতিতে ঘুষ-দুর্নীতির নানা ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে অস্বচ্ছতার কারণে একাধিক উর্ধতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ হরহামেশাই উঠছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন বন সংরক্ষক হোসাইন নিশাদ।
বন অধিদপ্তরের ঢাকা সামাজিক বনাঞ্চলের বন সংরক্ষক হোসাইন মুহাম্মদ নিশাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য এবং ঘুষের বিনিময়ে অবৈধ সুবিধা প্রদানের মতো একাধিক গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সংস্থাপন শাখায় দায়িত্ব পালনের সময় তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
একাধিক সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, বিএনপি সরকারের শাসনামলে ২০০৩ সালে ২২তম বিসিএস (বন) ক্যাডারে সহকারি বন সংরক্ষক হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন হোসাইন নিশাদ। কর্মজীবন শুরুর ১০ বছরের মাথায় ২০১৩ সালের জুলাইয়ে ঢাকার সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে তার প্রভাব বিস্তার শু:রু হয় বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
অভিযোগ রয়েছে যে, বিএনপির আমলে চাকুরী পেলেও নিশাদ সবচেয়ে বেশি প্রভাব খাটিয়েছেন বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলে। অত্যন্ত ধূর্ত ও ভোলপাল্টানো ওই কর্মকর্তা অদৃশ্য শক্তির ক্ষমতাবলে সবসময় থেকেছেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী কিংবা উপদেষ্টাদের আশীর্বাদপুষ্ট। এই কারণে ২৩ বছরের চাকরিজীবনে একবারের জন্যও তাকে যেতে হয়নি রাজধানীর বাইরে যেতে হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, বন বিভাগের বিভিন্ন স্তরে নিয়োগ-বদলি-পদায়ন বানিজ্য, চেকপোস্টকেন্দ্রিক অর্থ লেনদেন, লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়াসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয়ে নিশাদের ব্যাপক প্রভাব ছিল। তার ভয়ে কেউই প্রকাশ্যে প্রতিবাদ না জানালেও আড়ালে আবডালে তাকে `রাক্ষস` বলেই সম্বোধন করেন তার সহকর্মীসহ বনের সাথে জড়িত লোকজন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, `বদলি, পদায়ন, এনওসি, লাইসেন্স ও নিয়োগ, সব ক্ষেত্রই একাই নিয়ন্ত্রণ করেছেন হোসাইন নিশাদ। তার অপরাধ এতটাই বিস্তৃত যে নিরপেক্ষ তদন্ত হলে অনেক অজানা তথ্য বেরিয়ে আসবে।`
সোনারগাঁও চেকপোস্টে নিশাদের রমরমা চাঁদাবাজি
ঢাকা সামাজিক বনাঞ্চলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় হোসাইন নিশাদের সবচেয়ে আলোচিত `আয়ের কেন্দ্র` ছিল সোনারগাঁও চেকপোস্ট। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার গাছবোঝাই ট্রাক এই চেকপোস্ট অতিক্রম করত।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, এই চেকপোস্টে প্রতিটি ট্রাক থেকে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হতো এবং এই অর্থের বড় অংশ বিভিন্ন পর্যায়ে বণ্টন করা হলেও উল্লেখযোগ্য অংশ নিশাদের নিয়ন্ত্রণে যেত।
বন বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, চেকপোস্টটি কেবল বনজ পণ্য নিয়ন্ত্রণের স্থান ছিল না, বরং এটিকে কেন্দ্র করে একটি বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনের ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল।
অভিযোগ রয়েছে, চেকপোস্টের স্টেশন অফিসার পদটিও হয়ে উঠেছিল রীতিমতো নিলামের বস্তু। মাত্র এক বছরের জন্য সেই পদে থাকতে হলে দিতে হতো ৫০ লাখ টাকা। সহকারী স্টেশন অফিসার ছিলেন ছয়জন। তাদের প্রত্যেককে পোস্টিং পেতে দিতে হতো ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা করে। বিনিময়ে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অঙ্ক কেন্দ্রীয়ভাবে পৌঁছানোর কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফরেস্ট গার্ড পদেও একই চিত্র। পোস্টিংয়ের জন্য সর্বনিম্ন ৬ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত দিতে হতো। এর বাইরে কাঠের ডিপো, করাতকল, ইটভাটা এবং লাইসেন্স প্রদানের নামেও ঢাকার সামাজিক বন অঞ্চলে চলত নিয়মিত চাঁদাবাজি।
নিয়োগ ও বদলির নিয়ন্ত্রণে নিশাত
২০১৬ সালের নভেম্বরে হোসাইন নিশাদ সহকারী প্রধান বন সংরক্ষক (সংস্থাপন) হিসেবে দায়িত্ব পান। এই পদে থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নিয়োগ, বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পান বলে অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, `সংস্থাপন শাখা হলো বন বিভাগের সবচেয়ে প্রভাবশালী জায়গা। কে কোথায় যাবে, কে পদোন্নতি পাবে, কে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকবে, সবকিছুই এই শাখা থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। এই ক্ষমতাকে কেন্দ্র করে বছরের পর বছর একটি শক্তিশালী প্রভাব বলয় গড়ে তোলা হয়েছিল। যার মূল নেতৃত্বে ছিলেন হোসাইন নিশাদ।`
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, এসময়ে রেঞ্জ অফিসারদের বদলিতে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা, ফরেস্টারদের ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১৫ লাখ এবং বন প্রহরীদের ক্ষেত্রে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হতো। গুরুত্বপূর্ণ রেঞ্জ বা চেকপোস্টে পোস্টিংয়ের জন্য বছরে ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে। শতাধিক রেঞ্জ থেকে এভাবে বছরের পর বছর তোলা হয়েছে শত শত কোটি টাকা।
সার্টিফিকেট বাণিজ্য
বন্যপ্রাণী আমদানি ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় `নো অবজেকশন সার্টিফিকেট` (এনওসি) ইস্যুতেও ঘুষ গ্রহন, অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে নিশাদের বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, প্রতিটি এনওসির জন্য প্রায় দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হতো। প্রতি মাসে ১০০ থেকে ১৫০টি এনওসি ইস্যুর মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সূত্রগুলো জানায়, এসব এনওসি একবার ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বারবার নতুন সার্টিফিকেট নিতে হয়, যা একটি নিয়মিত আয়ের উৎসে পরিণত হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
তারেক আজিজ নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও অনেক সময় এনওসি পেতে অযথা বিলম্ব করা হতো। দ্রুত অনুমোদন প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করার চাপ তৈরি করা হতো। বিষয়টি ব্যবসায়ীদের জন্য এক ধরনের অলিখিত নিয়মে পরিণত হয়েছিল।
বন বিভাগের এক সাবেক কর্মকর্তা বলেন, `এনওসি ইস্যু একটি লাভজনক খাতে পরিণত হয়েছিল। প্রতিমাসে বিপুল সংখ্যক এনওসি দেওয়া হতো এবং প্রতিটি অনুমোদনের সঙ্গে লাখ লাখ টাকার আর্থিক লেনদেন হতো। বন বিভাগের ভেতরে এনিয়ে অনেক আলোচনা হলেও কেউই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস করতেন না।`
নীতিমালা পরিবর্তন করে রাজনৈতিক নিয়োগ:
বন বিভাগের একাধিক সূত্র বলছে, ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে বন বিভাগের নিয়োগ বিধিমালায় বিতর্কিত পরিবর্তন আনার পর ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসার (রেঞ্জার) পদে সরাসরি নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়। আর এই পরিবর্তনের সুযোগ নিয়েই রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ও ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।
একাধিক সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত বাচ্চু মিয়া, আব্দুল মালেকসহ প্রায় ১২০ জনকে ঐ প্রক্রিয়ায় ফরেস্ট রেঞ্জার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। বন বিভাগের একাধিক কর্মকর্তার দাবি, দীর্ঘদিনের প্রচলিত পদোন্নতি কাঠামো উপেক্ষা করে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হওয়ায় বন বিভাগে ব্যাপক অসন্তোষের সৃষ্টি হয়।
তাদের মতে, শতভাগ পদোন্নতিযোগ্য একটি পদে সরাসরি নিয়োগের সুযোগ তৈরি করে ছাত্রলীগের একটি গ্রুপকে সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিপুল অঙ্কের আর্থিক লেনদেন এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হয়েছিলো।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বন বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, `সংস্থাপন শাখায় দায়িত্ব পাওয়ার পর বদলি ও পদায়ন কার্যত একটি নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যে পরিণত হয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ রেঞ্জ, চেকপোস্ট কিংবা আয়বর্ধক পদে যেতে হলে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দিতে হতো। অনেক ক্ষেত্রে যোগ্যতার চেয়ে আর্থিক সক্ষমতাই পোস্টিং পাওয়ার প্রধান শর্ত হয়ে দাঁড়িয়েছিল।`
আউটসোর্সিংয়েও অভিযোগ:
বন বিভাগে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নাইট গার্ড, ড্রাইভার, নৌকাচালকসহ বিভিন্ন পদে প্রায় ৪ হাজার কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয় `বলাকা এন্টারপ্রাইজ`-এর মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক গিয়াস তালুকদার তৎকালীন পরিবেশমন্ত্রী হাসান মাহমুদের চাচাতো ভাই বলে জানা গেছে। এই নিয়োগে জনপ্রতি ২ থেকে ৩ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
একইভাবে ২০২৫ সালে ২৮৪ জন ফরেস্ট গার্ড নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ আছে, একটি চার সদস্যের কমিটির মাধ্যমে এই নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে, যেখানে নিশাদ ছিলেন অন্যতম সদস্য।
৮,৫০০ হেক্টর বনভূমি গ্রাস:
হোসাইন নিশাদ ঢাকা কেন্দ্রীয় বনাঞ্চলের (অধীনস্থ গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগ) দায়িত্বে থাকাকালীন প্রায় সাড়ে ৮ হাজার হেক্টর বনভূমি বিভিন্ন সময়ে দখল হয়ে যায় বলে অভিযোগ আছে। সীমানা নির্ধারণ (ডিমার্কেশন) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের মাধ্যমে এসব দখলকে বৈধতার রূপ দেওয়া হয়েছে। এসব জমিতে গড়ে উঠেছে শিল্পপ্রতিষ্ঠান, রিসোর্ট ও অন্যান্য স্থাপনা। বিপরীতে নতুন বনায়ন হয়েছে মাত্র ১,১৫০ হেক্টর।
চট্টগ্রামেও ছিলো একই চিত্র। সাবেক পরিবেশমন্ত্রী হাসান মাহমুদের ভাই এরশাদ হাসান রাঙ্গুনিয়ায় প্রায় ১,০০০ হেক্টর বনভূমি দখল করে ফলের বাগান, মাছের ঘের, গয়ালের খামার ও বাংলো বানিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সহযোগী ছিলেন হোসাইন নিশাদ নিজেই।
অন্যদিকে অভিযোগ আছে, হোসাইন নিশাদের নামে বা ঘনিষ্ঠদের নামে দেশের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক সম্পদ রয়েছে। এছাড়া, কানাডায় বাড়ি এবং আমেরিকায় সম্পত্তি কিনেছেন সহকর্মী ডিএফও বেলায়েত হোসেনের মাধ্যমে। পেশাগত সম্পর্কের পাশাপাশি নিশাদ ও বেলায়েত একই এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
হোসাইন নিশাদের বিরুদ্ধে এতসব অভিযোগ থাকা সত্বেও দীর্ঘদিন ধরে তার নিজ অবস্থানে টিকে থাকার পেছনে প্রভাবশালী মহলের ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, তৎকালীন পরিবেশমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ ও বন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার ছিলেন নিশাদের প্রধান `আশ্রয়দাতা`। নিশাদ হাবিবুন নাহারকে `মা` এবং সাবেক পরিবেশমন্ত্রী সাহাব উদ্দিনকে `বাবা` বলে সম্বোধন করতেন। রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার কারণেই নিশাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনেক অভিযোগের কার্যকর তদন্ত হয়নি।
এছাড়াও বনের ভেতরে জমি দখল, গাছ পাচার কিংবা অনুমোদন-বাণিজ্য; এসব ক্ষেত্রেও একই অভিযোগ রয়েছে নিশাদের বিরুদ্ধে। সুত্রমতে, বনে যেখানেই অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে সেখানে কোনো না কোনোভাবে তার নাম উঠে এসেছে।
বন অধিদপ্তরের ঢাকা সামাজিক বনাঞ্চলের বন সংরক্ষক হোসাইন মোহাম্মদ নিশাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই শেষে তার বক্তব্য জানতে চেয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এই বিষয়ে প্রধান বন সংরক্ষক আমিন হোসাইন চৌধুরীর সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকেও পাওয়া যায়নি।