মঙ্গলবার, মে ১২, ২০২৬
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম :

   জাতীয়
গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট
  Date : 11-05-2026
Share Button

ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশ বন্ধে আজ সোমবার (১১ মে, ২০২৬) একটি ঐতিহাসিক পূর্ণাঙ্গ রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চের এই রায়ের ফলে এখন থেকে গর্ভস্থ সন্তান ছেলে না মেয়ে, তা প্রকাশ করা আইনত নিষিদ্ধ হয়ে গেল।

রায়ের প্রধান পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনাগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:


১. সাংবিধানিক ও মানবাধিকারের পরিপন্থি

  • বৈষম্য নিরসন: আদালত পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন, অনাগত শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ নারীর প্রতি বৈষম্য তৈরি করে এবং এটি কন্যাশিশু হত্যার প্রবণতা ও সামাজিক ভারসাম্যহীনতা বৃদ্ধি করে।

  • মৌলিক নীতি: এই চর্চাকে সংবিধানের ১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের মৌলিক নীতি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

২. কঠোর তদারকি ও নজরদারি

  • কার্যকর নিয়ন্ত্রণ: আদালত বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশে এ বিষয়ে জবাবদিহিতার অভাব ছিল। শুধু গাইডলাইন নয়, বরং বাস্তবায়ন ও ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে এই অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

  • বৈশ্বিক উদাহরণ: ভারতসহ অন্যান্য দেশে ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ যেভাবে আইনগতভাবে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, বাংলাদেশেও সেই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৩. আদালতের বিশেষ ক্ষমতা (Continuous Mandamus)

  • হাইকোর্ট এই নির্দেশনাকে ‘কনটিনিউয়াস ম্যান্ডামাস’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এর ফলে, ভবিষ্যতে এই নির্দেশনার বাস্তবায়ন কতটুকু হচ্ছে, তা আদালত নিজেই সরাসরি তদারকি ও মনিটরিং করার ক্ষমতা রাখবেন।



  
  সর্বশেষ
কারিনাকে বিকালে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চেন্নাই নেওয়া হচ্ছে
অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে এআই নজরদারিতে যাবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
ইরানের জবাব ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’: ট্রাম্প

প্রধান সম্পাদক: মতিউর রহমান , সম্পাদক: জাকির হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক এসএম আবুল হাসান। সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ থেকে প্রকাশিত এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২০১৯ ফকিরাপুল , ঢাকা ১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: জামান টাওয়ার (৪র্থ তলা) ৩৭/২ পুরাণা পল্টন, ঢাকা ১০০০
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ০১৭১১১৪৫৮৯৮, ০১৭২৭২০৮১৩৮। ই-মেইল: bortomandin@gmail.com, ওয়েবসাইট: bortomandin.com