| |
| "সোববাস ও খোশবাস সম্প্রদায় ভাই ভাই, তাই এদের মধ্যে কোনও ভেদাভেদ নাই" |
| |
| |
|
| |
| |
| শোব্বাস বা সোববাস এবং খোশবাস মূলত দুটি সম্প্রদায়ের নাম কোনো ভাষার নাম নয় পুরান ঢাকার আদি বাসিন্দাদের `শোব্বাস` (বা সোববাস) এবং `খোশবাস` মূলত দুটি সম্প্রদায়ের নাম, কোনোও ভাষার নাম নয়। উৎসগুলো অনুসারে, এই সম্প্রদায়ের নামগুলো কীভাবে একটি ভাষার ভুয়া নামকরণে হিসেবে কিছু অজ্ঞ লোকদের দ্বারা ব্যবহৃত হচ্ছিল তার ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো: ঐতিহাসিক বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার: সূত্রমতে, তথাকথিত "শোব্বাসি বা খোশবাসি ভাষা" নামটি সম্পূর্ণ ভুয়া, মনগড়া এবং অজ্ঞতার ফল । এটি মূলত ঢাকাইয়া উর্দু ভাষা ও আদি ঢাকার ইতিহাসের বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে [১]। সম্প্রদায় বনাম ভাষা: শতাধিক বছর আগে হাকিম হাবিবুর রহমানের লেখা বিখ্যাত ও নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ "ঢাকা পাঁচাস বারাস পাহেলে"-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, ঢাকায় মুসলমান জনগোষ্ঠীর মধ্যে `সোববাস` ও `খোসবাস` নামে দুটি সম্প্রদায় ছিল তাদের মুখের ভাষা ছিল "ঢাকাইয়া উর্দু", যা উচ্চারণের দিক থেকে প্রমিত উর্দু থেকে কিছুটা আলাদা । অর্থাৎ, ভাষাটি হলো `ঢাকাইয়া উর্দু` আর বক্তারা হলেন `শোব্বাস/খোশবাস` সম্প্রদায়ের লোক । স্বীকৃতির অভাব: তথাকথিত "শোব্বাসি ভাষার" কোনো প্রাচীন দলিল, গ্রন্থ, বা অভিধান নেই । অন্যদিকে, ঢাকাইয়া উর্দু একটি ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত ভাষা যা বিভিন্ন গবেষণা, সরকারি প্রকাশনা (আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটসহ) এবং উইকিপিডিয়াতেও স্বীকৃত [৩]। ভুল নামকরণের উৎস: প্রকৃত ঐতিহ্যকে আড়াল করে সম্প্রদায়ের নামকেই ভাষার নাম হিসেবে রূপান্তর করার মাধ্যমেই এই বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে [৪]। এতে ইতিহাসের ধারাবাহিকতা ক্ষুণ্ণ হওয়ার এবং ইতিহাস বিকৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে [৪]। সংক্ষেপে, `শোব্বাস` এবং `খোশবাস` হলো সামাজিক বা সাম্প্রদায়িক পরিচয়, কিন্তু বর্তমানে কিছু ক্ষেত্রে এই নামগুলোকে ভিত্তিহীনভাবে একটি আলাদা ভাষা হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে, যা ঐতিহাসিকভাবে সত্য নয়।
|
| |
|
|
|
| |
|
|
প্রধান সম্পাদক: মতিউর রহমান
, সম্পাদক: জাকির হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক এসএম আবুল হাসান। সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ থেকে প্রকাশিত এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২০১৯ ফকিরাপুল , ঢাকা ১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: জামান টাওয়ার (৪র্থ তলা) ৩৭/২ পুরাণা পল্টন, ঢাকা ১০০০
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ০১৭১১১৪৫৮৯৮, ০১৭২৭২০৮১৩৮। ই-মেইল: bortomandin@gmail.com, ওয়েবসাইট: bortomandin.com
|
|
| |
|