| |
| ‘৭২-এর সংবিধান মোতাবেক শেখ হাসিনা এখনও দেশের প্রধানমন্ত্রী’: ব্যারিস্টার ফুয়াদ |
| |
| |
|
| |
| |
| এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ শনিবার (২৫ এপ্রিল, ২০২৬) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামীর এক সমাবেশে দেশের বর্তমান সাংবিধানিক কাঠামো ও বৈধতা নিয়ে বেশ কিছু বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেন, ১৯৭২ সালের সংবিধানের দোহাই দিয়ে রাজনীতি করলে আইনি মারপ্যাঁচে শেখ হাসিনা এখনও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বহাল থেকে যান।
সংবাদটির মূল বিষয়বস্তু নিচে তুলে ধরা হলো:
ব্যারিস্টার ফুয়াদের বক্তব্যের প্রধান পয়েন্টসমূহ
-
সংবিধান ও প্রধানমন্ত্রীর পদের বৈধতা: ফুয়াদ প্রশ্ন তোলেন যে, শেখ হাসিনা নিজেই দাবি করেছেন তিনি পদত্যাগ করেননি এবং রাষ্ট্রপতিও কোনো পদত্যাগপত্র পাননি। যদি ১৯৭২ সালের সংবিধানকে এখনও ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়, তবে আইনিভাবে শেখ হাসিনা এখনও প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল আছেন কি না—সেই বিতর্ক সামনে চলে আসে। তিনি প্রশ্ন করেন, দেশে কি এখন দুজন প্রধানমন্ত্রী বা দুটি সংসদ বিদ্যমান?
-
৭২-এর সংবিধান ও শেখ মুজিবুর রহমান: তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী শেখ মুজিবুর রহমান এখনও `জাতির জনক` এবং `স্বাধীনতার ঘোষক` হিসেবে স্বীকৃত। যারা এই সংবিধান আঁকড়ে ধরে রাজনীতি করছেন, তাদের এই সত্যগুলো মেনে নিতে হবে।
-
বিএনপির রাজনীতির সমালোচনা: ব্যারিস্টার ফুয়াদ বিএনপির তীব্র সমালোচনা করে বলেন, দলটি ১৯৭২ সালের সংবিধান নিয়ে যে রাজনীতি শুরু করেছে তা শহীদ জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ ও অঙ্গীকারের সাথে সাংঘর্ষিক। তিনি বিএনপির এই অবস্থানকে `রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব` হিসেবে অভিহিত করেন।
-
বর্তমান সরকারের বৈধতার উৎস: বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁর সরকারের বৈধতা সংবিধান থেকে আসেনি, বরং এটি এসেছে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান এবং শহীদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে। সংবিধানের দোহাই দিয়ে নয়, বিপ্লবের ম্যান্ডেট নিয়ে দেশ পরিচালনার আহ্বান জানান তিনি।
|
| |
|
|
|
| |
|
|
প্রধান সম্পাদক: মতিউর রহমান
, সম্পাদক: জাকির হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক এসএম আবুল হাসান। সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ থেকে প্রকাশিত এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২০১৯ ফকিরাপুল , ঢাকা ১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: জামান টাওয়ার (৪র্থ তলা) ৩৭/২ পুরাণা পল্টন, ঢাকা ১০০০
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ০১৭১১১৪৫৮৯৮, ০১৭২৭২০৮১৩৮। ই-মেইল: bortomandin@gmail.com, ওয়েবসাইট: bortomandin.com
|
|
| |
|