আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে রোববার (৮ মার্চ) অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে ভারত।
২০২৬ সালের এই আসরে জয়ের মাধ্যমে ভারত বিশ্বের প্রথম দল হিসেবে টানা দুবার (ব্যাক-টু-ব্যাক) শিরোপা জেতার গৌরব অর্জন করল এবং একইসঙ্গে প্রথম স্বাগতিক দেশ হিসেবে ঘরের মাঠে ট্রফি জয়ের রেকর্ড গড়ল।
টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৫৫ রানের পাহাড়সম স্কোর দাঁড় করায়, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। ওপেনার সঞ্জু স্যামসনের বিধ্বংসী ৮৯ (৪৬ বল) রান এবং অভিষেক শর্মার টুর্নামেন্টের দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরির (১৮ বলে ৫০) ওপর ভর করে ভারত এই বিশাল সংগ্রহ পায়; এছাড়া ঈশান কিশান ৫৪ এবং শিবম দুবে ২৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে বড় অবদান রাখেন।
২৫৬ রানের পাহাড় তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা ভারতীয় বোলারদের তোপের মুখে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে এবং ১৯ ওভারে মাত্র ১৫৯ রানেই অলআউট হয়ে যায়।
জসপ্রীত বুমরাহ ৪টি এবং অক্ষর প্যাটেল ৩টি উইকেট নিয়ে কিউইদের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। অসাধারণ বোলিং স্পেলের জন্য বুমরাহ ‘প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ’ এবং পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের জন্য সঞ্জু স্যামসন ‘প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট’ নির্বাচিত হন। সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে ভারতের এই ঐতিহাসিক জয় কেবল তাদের তৃতীয় শিরোপাই নিশ্চিত করেনি, বরং সাদা বলের ক্রিকেটে তাদের নিরঙ্কুশ আধিপত্যকেও বিশ্বমঞ্চে পুনপ্রতিষ্ঠিত করেছে।