২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল চেতনা ও `জুলাই সনদ`-এর প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২৫ এপ্রিল, ২০২৬) রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে বিয়াম (BIAM) ফাউন্ডেশনের অডিটোরিয়াম ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদটির গুরুত্বপূর্ণ দিকসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:
জুলাই সনদ ও গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা
-
অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন যে, জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক এ দেশের জনগণ।
-
জনগণের ম্যান্ডেট: দীর্ঘ দেড় দশক পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তাই বর্তমান সরকারকে তিনি জনগণের ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করেন।
জনপ্রশাসন সংস্কার ও মেধাভিত্তিক মূল্যায়ন
১. মেধা ও দক্ষতা: রাষ্ট্রযন্ত্রের নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব নয়, বরং মেধা, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতাকেই প্রধান বিবেচ্য বিষয় হিসেবে দেখা হবে। ২. আধুনিক প্রশিক্ষণ: সরকারি কর্মকর্তাদের আধুনিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারে দক্ষ করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একটি মেধানির্ভর, আত্মবিশ্বাসী ও সৃজনশীল মানবসম্পদ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। ৩. জনবান্ধব প্রশাসন: প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে জনবান্ধব জনপ্রশাসন গড়ে তোলার বিকল্প নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হলে সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করতে হবে। জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রধান দায়িত্বই হলো জনগণের স্বার্থ এবং কল্যাণ নিশ্চিত করা।