বুধবার, জানুয়ারী ২৮, ২০২৬
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম :

   আন্তর্জাতিক
ট্রাম্পের হুঙ্কার উপেক্ষা করে বেইজিংয়ের পথে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
  Date : 27-01-2026
Share Button

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে কোনো পক্ষ বেছে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

আট বছরের মধ্যে প্রথম ব্রিটিশ নেতা হিসেবে বেইজিং সফরের প্রাক্কালে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে লন্ডনকে এই দুই দেশের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে বাধ্য করা যাবে না। ব্লুমবার্গ নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টারমার বলেন, ব্রিটেন ব্যবসা, নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘নিবিড় সম্পর্ক’ বজায় রাখবে, তবে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীনকে উপেক্ষা করা হবে কাণ্ডজ্ঞানহীন কাজ।

বেইজিং ও সাংহাই সফরের এই মিশনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটেনের ডজনখানেক ব্যবসায়ী নেতা অংশ নিতে যাচ্ছেন। স্টারমার মনে করেন, চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক ব্রিটিশ কোম্পানিগুলোর জন্য বিশাল সুযোগ বয়ে আনতে পারে। সম্প্রতি লন্ডনে চীনের একটি বিশাল ও বিতর্কিত দূতাবাস নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে ব্রিটেন, যা নিয়ে দেশে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

বিরোধীদের আশঙ্কা, এই দূতাবাস গোয়েন্দা কার্যক্রমের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। তবে এই সমালোচনা সত্ত্বেও স্টারমার তার অবস্থানে অনড় থেকে বলেন, মাথা বালিতে গুঁজে চীনকে এড়িয়ে চলা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

সাক্ষাৎকারে স্টারমার আরও উল্লেখ করেন, এর আগে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নেওয়ার চাপ থাকলেও তিনি তা করেননি। তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস না করেই ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।
উল্লেখ্য, এই সফরটি এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার মিত্রদের সম্পর্ক কিছুটা টালমাটাল। সম্প্রতি গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে মিত্রদের ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি এবং আফগানিস্তানে ন্যাটো সেনাদের ভূমিকা নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যে লন্ডনে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এমনকি কানাডা চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করলে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন ট্রাম্প।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অতীতে চীনের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েনকে ‘কর্তব্যে অবহেলা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আগে কখনও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক খুব উষ্ণ ছিল আবার কখনও তা বরফশীতল হয়ে গিয়েছিল; তিনি এই ‘বাইনারি’ বা চরম কোনো একটি পথ বেছে নেওয়ার নীতি বর্জন করতে চান।

তবে বাণিজ্যের পাশাপাশি বেইজিংয়ের সঙ্গে মানবাধিকার ইস্যু এবং হংকংয়ের গণতন্ত্রকামী নেতা জিমি লাইয়ের কারাদণ্ড নিয়ে আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

হংকংয়ের শেষ ব্রিটিশ গভর্নর লর্ড ক্রিস প্যাটেন অবশ্য সতর্ক করে বলেছেন, জিমি লাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো যদি সভার শেষে দায়সারাভাবে তোলা হয়, তবে তা হবে দুঃখজনক। তার মতে, ব্যবসার খাতিরে অপ্রিয় সত্য বলা থেকে বিরত থাকার নীতি একটি ভ্রান্ত ধারণা।

সূত্র: বিবিসি।



  
  সর্বশেষ
নির্বাচন ভন্ডুল করার সম্ভাবনা নেই, যেসব জঙ্গি-সন্ত্রাসী ছিল পালিয়ে গেছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
২০২৫ সালে ৫৪৩ কোটি টাকারও বেশি বিমা দাবি নিষ্পত্তি করল গার্ডিয়ান
আওয়ামী লীগের কখনোই রাজনৈতিক চরিত্র ছিল না: সালাহউদ্দিন আহমদ
নির্বাচনে জিততে পারবে না জামায়াত: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

প্রধান সম্পাদক: মতিউর রহমান , সম্পাদক: জাকির হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক এসএম আবুল হাসান। সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ থেকে প্রকাশিত এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২০১৯ ফকিরাপুল , ঢাকা ১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: জামান টাওয়ার (৪র্থ তলা) ৩৭/২ পুরাণা পল্টন, ঢাকা ১০০০
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ০১৭১১১৪৫৮৯৮, ০১৭২৭২০৮১৩৮। ই-মেইল: bortomandin@gmail.com, ওয়েবসাইট: bortomandin.com