নৈতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এথিক্যাল এআই) ও টেকসই প্রতিবেদন এখন ব্যবসায়িক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও জনস্বার্থ রক্ষার অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস (সাফা)-এর আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে বক্তারা এ মন্তব্য করেন।
দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) আয়োজিত সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘পরবর্তী প্রজন্মের পেশা: নৈতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও টেকসই প্রতিবেদন একীভূতকরণ’।
সম্মেলনের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইসিএবি’র সাবেক সভাপতি ও রহমান রহমান হক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসের সিনিয়র পার্টনার আদীব হোসেন খান। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইতোমধ্যেই টেকসই প্রতিবেদন ও আর্থিক মূল্য সৃষ্টির কাঠামোতে মৌলিক পরিবর্তন এনেছে। তবে এআইয়ের কোনো নৈতিক দায় নেই—এ দায় মানুষের, তাই শক্ত নৈতিক কাঠামো অপরিহার্য।
সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলংকা থেকে প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তিনটি টেকনিক্যাল সেশন ও একটি সমাপনী সেশনে ভবিষ্যৎ হিসাব পেশা, এআই ও টেকসই প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান এবং এফআরসি চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।
প্রথমবারের মতো ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস-এর সভাপতি জাঁ বুকো ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে অংশ নেন। তিনি বলেন, সততা ও জনস্বার্থকে কেন্দ্র করে এআই পরিচালিত হলে হিসাববিদরা টেকসই ও সহনশীল অর্থনীতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।
আইসিএবি’র সভাপতি এন কে এ মোবিন এফসিএ বলেন, নৈতিকতা, নিরপেক্ষতা ও জনসেবার মূল্যবোধই ভবিষ্যৎ হিসাব পেশাকে নেতৃত্ব দেবে। বৈশ্বিক মান বজায় রাখতে আইসিএবি কাজ করে যাচ্ছে।-বিজ্ঞপ্তি