ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার পর্দা নেমেছে। শনিবার বিকালে মেলার সমাপনী ঘোষণা করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
তিনি বলেন, এবারের মেলায় ২২৪ দশমিক ২৬ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানির আদেশ পাওয়া গেছে। এছাড়া ৩৯৩ কোটি টাকা মূল্যের পণ্য ক্রয়-বিক্রয় হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ বিক্রয় বেড়েছে। পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারের মালটিপারপাস হলে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক আবদুর রহিম খান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী হাসান আরিফ, বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব তরফদার সোহেল রহমানসহ আরও অনেকে।
উপদেষ্টা বশিরউদ্দীন বলেন, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়কদের নিয়ে এ মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। সক্ষমতা বৃদ্ধি, পণ্যের উদ্ভাবন, ব্যয় কমাতে আরও চেষ্টা করতে হবে। আগামীতে বাণিজ্যমেলা আরও দৃষ্টিনন্দন, সবুজায়ন, সংস্কারকরণ, সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশনসহ সার্বিক ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে।
মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্যাভিলিয়ন ও স্টলসহ ৪০টি প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ঠ হিসাবে পুরস্কৃত করা হয়। রপ্তানি খাতগুলো হলো বহুমুখী পাট পণ্য, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স, হোম অ্যাপলায়েন্স, কসমেটিক্স, হাইজিন পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হ্যান্ডলুম, তৈজসপত্র, হোম টেক্সটাইল, নকশিকাঁথা, ফেব্রিক্স। আফগানিস্তান, সিঙ্গাপুর, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া ও তুরস্ক থেকে রপ্তানির আদেশ পাওয়া গেছে।
মেলায় ইপিবির কার্যক্রম ও রপ্তানি খাতের সক্ষমতা তুলে ধরতে নির্মাণ করা হয় ‘এক্সপোর্ট এনক্লেভ’। ছিল ৫২র ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহীদদের স্মরণে তৈরি করা হয় ‘বাংলাদেশ স্কয়ার’।